লক্ষে পৌছাতে চাই নিষ্ঠা।এই বিষয়ের প্রতি তোমাদের জন্য সামান্য আর ক্ষুদ্র কিছু কথা লিখলাম।লক্ষে পৌছানোর প্রথম শর্ত হল আগে তোমাকে লক্ষ ঠিক করতে হবে তারপর না তোমাকে লক্ষে পৌছানোর কাজ শুরু করতে হবে।
এবার আসা যাক কি কি করতে হবে।
এবার আসা যাক কি কি করতে হবে।
★ স্বপ্ন দেখতে হবে, যে ব্যাক্তি নিজেই নিজের জন্য স্বপ্ন দেখতে পারেনা সে অন্যের জন্য কিবা করতে পারে? তাই নিজের জন্য স্বপ্ন দেখতে হবে যে স্বপ্ন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে নয় জেগে জেগে, যে স্বপ্ন তোমাকে ঘুমাতে দেবেনা আর এই স্বপ্ন তোমাকে কর্মের মাঝে ডুবিয়ে রাখবে।
★ নূন্যতম
২ বছর রোজা
রাখতে হবে, এই রোজা রাখা
মানে এই না তোমাকে না খেয়ে বা উপস করে থাকতে হবে, এখানে রোজা
রাখার অর্থ হল তুমি যে বিষয়ে লক্ষ
স্থির করেছো তার উপর তোমাকে
কর্মের সাধনা করতে
হবে।
★ বিনয়ী
হতে হবে, বিনয়ী
হচ্ছে মানুষের হৃদয়ে
পৌছানোর সব চেয়ে
বড় মাধ্যম,কঠরতা
আর ক্রর্দ দিয়ে
মানুষের হৃদয়ে পৌছানোর
হিতের বিপরীতই হয়।বিনয়ী
হল দিব্য অস্ত্র
যা সর্ব ক্ষেত্রে
ব্যবহার উপযোগী।
★ নিষ্ঠাবান হতে হবে,মানুষের
কাছে তোমাকে বিশ্বাষী
আর ভরসার পাত্র
হতে হবে। মানুষ
যদি তোমাকে বিশ্বাষ
বা তোমার কাছে
আস্থা না পায় তবে তোমার
থেকে আস্তে আস্তে
দূরে সরতে থাকবে।
★ অন্যের
লাভের প্রতি সুদৃষ্টি
দিতে হবে,সর্বদাই
নিজের লাভের পাশাপাশি
অন্যের লাভে জন্যও
চিন্তা করতে হবে।অন্যরা তোমার
সাথে কাজ করে যদি লাভবান
না হয় তবে তোমার সাথে
তারা কাজ করতে
চাইবেনা।আর যখনি অন্যের
লাভের প্রতি তুমি
খেয়াল করবে তখনি
তুমি দ্বিগুন লাভবান
হবে।
★ সৎ হতে হবে,পৃথিবীতে খড় ধরে যেমন
সমু্দ্র পাড়ি দেওয়া
যায় না,তেমনি
ভাবেই অসৎ পন্থার
উপর দাড়িয়ে লক্ষে
পৌছানো যায় না।অসৎ
পন্থা হল কাঁচের
দেওয়ালের মত,সামান্য
আঘাতে তা ভেঙ্গে
পড়ে।
★ নিজেকে
সুখি ভাবতে হবে, তুমি যা করছো, তা করে তুমি
নিজেই যদি সুখি
না হও তবে অন্যরা তোমার
থেকে দূরে পালাবে,আর হতাসা
তোমার নিত্য সঙ্গি
হবে।তোমার যা কিছু
আছে তাই নিয়েই
সুখি থেকে কর্মের
সাগরে স্নান করতে
হবে।
★ নিজে
যা করছি সেটা
নিজের কাছে পছন্দ
হতে হবে,তুমি
যা করছো তা তোমার কাছে
অব্যশই পছন্দের হতে হবে।তোমার কর্ম,
তোমার স্টাইল, তোমার
কথা, তোমার নিজের
কাছে যদি পছন্দ
না হয় তবে অন্যের কাছে
কি ভাবে পছন্দ
হবে?
★ যোগাযোগ
স্থাপন করতে হবে,যোগাযোগ অনেক
ভাবেই করা যায় সর্ব উত্তম
যোগাযোগ হল তোমার
মুখের কথা,তাই তুমি যত ভাল কথা বলা শিখবে
তত বেশি যোগাযোগ
স্থাপন করতে পারবে।মনে রাখবা
বন্দুকের গুলি যেমন
বের হয়ে গেলে
আর ফেরত নেওয়া
যায়না তেমনি মুখের
কথা একবার বের হয়ে গেলে
তা আর ফেরত
নেওয়া যায়না।
আজ এই পর্যন্তই
সমাপ্ত করলাম,অন্য
কোন দিন অন্য
কোন বিষয় নিয়ে
কথা হবে,সেই পর্যন্ত সুখি
থেকো, সুস্ত থেকো।

No comments:
Post a Comment