Thursday, December 13, 2018

আমি সূর্যকে ভালবাসি


আমি সূর্যকে ভালবাসি, আমি বাংলাকে ভালবাসি ,

আমি ভালবাসি বাংলার এই মাটিকে ।।

আমি দিপ্ত কন্ঠে বলছি মাগো তোমায় ভালবাসি ।।

সুজলা-সুফলা আমার বাংলা কত যে সোনার ধন,

শত বাঙালীর রক্তে গড়া আমারি জন্মভুমি ,

৫২ থেকে শুরু, ভাষার জন্য দিয়েছো জীবন,  স্বরণ করছি

সালাম, রফিক, বরকত, তোমাদের বিন্রম শ্রদ্ধায় ।

আমি দিপ্ত কন্ঠে বলছি মাগো তোমায় ভালবাসি ।।

স্বাধীনতা তুমি কোথায়, ৭১ তুমি কোথায়, মতিউর তুমি কোথায়,

জাহাঙ্গার তুমি কোথায়, কি দিয়ে জানাবো শ্রদ্ধা তোমায় আছে কি

বলো আমার ।

আমি দিপ্ত কন্ঠে বলছি মাগো তোমায় ভালবাসি ।।

উৎসর্গ

৫২ ও ৭১ এর শহীদদের

অধম বলেছো বলে অধম হয়ে যাই


অধম বলেছো বলে অধম হয়ে যাই
সফল বলেছো বলে সফল হয়ে যাই।।
তাড়িয়ে দিয়েছো বলে দূরে দূরে রই
কাছে ডেকেছো বলে তোমার দুয়ারে যাই ।।
এক মূহুর্তে হাসি ফোটাও মুখে
পরক্ষণে আখিঁপাতে অশ্রু ঝরাও ।।
অধম বলেছো বলে অধম হয়ে যাই
সফল বলেছো বলে সফল হয়ে যাই।।
দূরে দূরে থেকে প্রিয়া জানিতে পারিবেনা ।।
এ মনের বেদনা , কুৎসা জাতনা গ্লানি দেওযার পরেও
তুমি কত প্রিয়ো তা তো জানোনা ওগো পরান প্রিয়া।
অধম বলেছো বলে অধম হয়ে যাই
সফল বলেছো বলে সফল হয়ে যাই।।

Thursday, November 1, 2018

টেক্সটাইল (স্পিনিং) ফেক্টরিতে প্রোডাকশন অফিসার এর কি কাজ করতে হয় জেনে নিন।




একজন প্রোডাকশন অফিসার এর সারা দিন কি কি কাজ করে বা কি কি করতে হয় তার তালিকা  !!!

. সকাল শুরু হয় শিফট বুঝে নিয়ে ( সারা রাত কি হয়েছিল তার হিসেব বুঝে নিতে হয় )

. সারা দিন কি স্পিনিং এ কোন মেশিনে কি কি প্রসেস চালাতে হবে তার প্রোগ্রাম করতে হবে

. কি কি তুলার বেল,স্লাইভার,রোভিং ফ্লোরে আছে তার হিসেব নেয়া।

. প্রতিটা মেশিন এর অপারেটর দের ডেকে তার কি কি কাজ সারা দিন করবে তা বুঝিয়ে দেয়া

. বায়ারের নির্দোশনা অনুযায়ী দ্রুত প্রডাকশন প্লান তৈরি করা

. শিফট এর প্রডাকশন বাড়ানো।

. আগের দিনের প্রোডাকশন চলতি দিনের রিপোর্ট তৈরি করা

. কোথাও কোন লটে মিকআপ হচ্ছে কিনা তা লক্ষ করা , সমস্যা হলে সমাধান করা , নিজে না পারলে ম্যানেজারের পরামর্শে পরবর্তি কাজ করা।

. ম্যানেজার যা বলে তা করে দেয়া

১০. সুতার কোয়ালিটি  ইন্সপেকশন করানো।

১১. ফ্লোর এর লোকজনের সাথে কথা বলাকাজ পরিচালনা করা  
১২. কোয়ালিটি সম্পন্ন সুতা ডেলিভারি হচ্ছে কিনা তা দেখা।

১৩. ফেক্টরির নিজ ফ্লোর এর সমস্যা হলে তা দেখা।

১৪. শ্রমিকদের দের ছুটিগেট পাস আনুষঙ্গিক বিষয়য় গুলি দেখা

১৫. মিক্সিং প্লান অনুযায়ী কাজ করা। চলবে...

আমাকে যদি ভুলে যাও তুমি কখনো


আমাকে যদি ভুলে যাও তুমি কখনো, স্বপ্নের সৃতি গুলো হয়ে যাবে মিথ্যে  হয়ে আবে মিথ্যে ।।

আমার হৃদয় কান্নার সুরে সুরে ভেসে যাবে ধুসর আকাশে, ধুসর 
আকাশে ।।

আমাকে যদি ভুলে যাও তুমি কখনো, স্বপ্নের সৃতি গুলো হয়ে যাবে 
মিথ্যে  হয়ে আবে মিথ্যে ।।

ফেলে আসা দিন গুলো আজো মনে পড়ে তোমার সৃতি গুলো 
ভেসে ভেসে উঠে ভেসে উঠে ।।

আমাকে যদি ভুলে যাও তুমি কখনো, স্বপ্নের সৃতি গুলো হয়ে যাবে মিথ্যে  হয়ে আবে মিথ্যে ।।

তোমার হৃদয় আকাশ হবে, উড়াবে সেথায় মুক্ত গুড়ি নাটাই সুত, 
নাটাই সুত ।।

আমাকে যদি ভুলে যাও তুমি কখনো, স্বপ্নের সৃতি গুলো হয়ে যাবে মিথ্যে  হয়ে আবে মিথ্যে ।।


তারিখ: ০৭-০৮-২০১৩ ইং

Monday, September 24, 2018

অন্ধকারের গলিতে এখনো রয়েছি আমি দাড়িয়ে


অন্ধকারের গলিতে এখনো রয়েছি আমি দাড়িয়ে ।।

কখন উঠিবে সূর্য অপেক্ষায় আমি রাস্তায়

অন্ধকারের গলিতে এখনো রয়েছি আমি দাড়িয়ে ।।

কড়া পারফিউম আর শক্ত মেকাপ ঢাকতে পারবেনা

তোমার মুখের কালদাগ সংগ্রামী তুমি , সংগ্রামী তুমি ........

জীবনকে করেছো জয়, অন্ধ লোকেরা বলে

আত্তশুদ্ধীর সুযোগতো আর নাই।

সংগ্রামী তুমি , সংগ্রামী তুমি ............................

অন্ধকারের গলিতে এখনো রয়েছি আমি দাড়িয়ে ।।

কখন উঠিবে সূর্য অপেক্ষায় আমি রাস্তায়

Tuesday, September 18, 2018

DERBY-মুক্তি


-ফারাজী হাবিবুর রহমান

কবে আমি Derby –র হাত থেকে
মুক্তি পাবো?
Gold leaf এর ঐ স্বর্ণ দুয়ারে পৌছাবো ?
কলেজের ঐ ক্যাম্পাসে
মাথা নিঁচু হওয়ার হাত
হতে রক্ষা পাবার জন্য
আন্টি একটা Gold Leaf দেন
মাথাটাকে একটু উচু করে
পকেটটা ফুটো করে ছাত্রাবাসে ফেরাটা
ছাত্র জীবনে এর চেয়ে
বড় বিড়াম্বানা আর নেই।
তবুও Gold Leaf তোরে বড় ভালবাসি
মাথার ভিতরে চক্রর মারাটা বড় ভাল লাগে।
পিছনের তুঁলা, মাথার ধোয়া
Derby –র বড় বৈশিষ্ট
কিছু না থাক তুলা, ধোয়াতো আছে।
কিছু হয়না তাতে কি?
ধুমপানের ভানটাতো হয়।
আর কতদিন থাকবো আমি
ব্যাক বেঞ্চে পড়ে
Derby –র ঐ অতল তলে
ধোয়াদের ঐ মাঝে?

উৎসর্গ
তারেক আজিজ ভাই
সময়: ১১. ০৪ PM
তারিখ: ২৬-০৫-২০১৪ ইং

Saturday, August 18, 2018

প্রিয় গান



আনন্দধারা বহিছে ভুবনে
দিনরজনী কত অমৃতরস উথলি যায় অনন্ত গগনে।।

পান করে রবি শশী অঞ্জলি ভরিয়া–
সদা দীপ্ত রহে অক্ষয় জ্যোতি–
নিত্য পূর্ণ ধরা জীবনে কিরণে।।

বসিয়া আছ কেন আপন-মনে,
স্বার্থনিমগন কী কারণে ?
চারি দিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি,
ক্ষুদ্র দুঃখ সব তুচ্ছ মানি
প্রেম ভরিয়া লহো শূন্য জীবনে।।
শিল্পীঃ রিজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
অ্যালবামঃ টাইম অফ রাইটিং
সুরকারঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গীতিকারঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বছরঃ পাওয়া যায় নি

বিভাগঃ রবীন্দ্র সংগীত






কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া
তোমার চরণে দিব হৃদয় খুলিয়া।।

চরণে ধরিয়া তব কহিব প্রকাশি
গোপনে তোমারে সখা, কত ভালোবাসি।
ভেবেছিনু কোথা তুমি স্বর্গের দেবতা
কেমনে তোমারে কব প্রণয়ের কথা।।

ভেবেছিনু মনে মনে দূরে দূরে থাকি
চির জন্ম সঙ্গোপনে পূজিব একাকি
কেহ জানিবে না মোর গভীর প্রণয়
কেহ দেখিবে না মোর অশ্রুবারিচয়।

আপনি আজিকে যবে শুধাইছ আসি।
কেমনে প্রকাশি কব কত ভালোবাসি।।

শিল্পীঃ সাগর সেন
অ্যালবামঃ পাওয়া যায় নি
সুরকারঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গীতিকারঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বছরঃ পাওয়া যায় নি

বিভাগঃ রবীন্দ্র সংগীত



মাঝে মাঝে তব দেখা পাইচিরদিন কেন পাই না?
কেন মেঘ আসে হৃদয়-আকাশে,
তোমারে দেখিতে দেয় না?।

ক্ষণিক আলোকে আঁখির পলকে
তোমায় যবে পাই দেখিতে
হারাই-হারাই সদা হয় ভয়
হারাইয়া ফেলি চকিতে।।

কী করিলে বলো পাইব তোমারে,
রাখিব আঁখিতে আঁখিতে।

এত প্রেম আমি কোথা পাব নাথ
তোমারে হৃদয়ে রাখিতে?

আর কারো পানে চাহিব না আর,
করিব হে আমি প্রাণপণ–
তুমি যদি বল এখনি করিব
বিষয় বাসনা বিসর্জন।।

শিল্পীঃ শ্রাবণী সেন
অ্যালবামঃ পাওয়া যায় নি
সুরকারঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গীতিকারঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বছরঃ পাওয়া যায় নি

বিভাগঃ রবীন্দ্র সংগীত



মধু মালতি ডাকে আয় ফুল ফাগুনের খেলায়
যূথী কামিনী কত কথা গোপনে বলে মলয়ায়
চাঁপা বনে অলি সনে লুকোচুরি গো লুকোচুরি
আলো ভরা কালো চোখে গো কি মাধুরী গো কি মাধুরী
মন চাহে যে ধরা দিতে তবু সে লাজে সরে যায়

মালা হয়ে প্রানে মম কে জড়ালো কে জড়ালো
ফুল রেনু মধু বায়ে কে ঝরালো কে ঝরালো
জানি জানি কে মোর হিয়া রাঙালো রাঙা
কামনায়

শিল্পীঃ সন্ধ্যা মুখার্জী
মুভি: হারজিৎ
সুরকারঃ পাওয়া যায় নি 
গীতিকারঃ প্রণাব রায় 
বছরঃ পাওয়া যায় নি

সংগীত পরিচালক:রবীন চ্যাটার্জী

পৃথিবী -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


আজ আমার প্রণতি গ্রহণ করো, পৃথিবী,
শেষ নমস্কারে অবনত দিনাবসানের বেদিতলে।।
মহা বীর্যবতী তুমি বীরভোগ্যা,
বিপরীত তুমি ললিতে কঠোরে,
মিশ্রিত তোমার প্রকৃতি পুরুষে নারীতে,
মানুষের জীবন দোলায়িত কর তুমি দু:সহ দ্বন্দ্বে।

ডান হাতে পূর্ণ কর সুধা,
বাম হাতে চূর্ণ কর পাত্র,
তোমার লীলাক্ষেত্র মুখরিত কর অট্টবিদ্রুপে;
দু:সাধ্য কর বীরের জীবনকে মহৎ জীবনে যার অধিকার।
শ্রেয়কে কর দুর্মূল্য, কৃপা কর না কৃপাপাত্রকে।
তোমার গাছে গাছে প্রচ্ছন্ন রেখেছ প্রতি মুহূর্তের সংগ্রাম,
ফলে শস্যে তার জয়মাল্য হয় সার্থক।
জলে স্থলে তোমার ক্ষমাহীন রণ রঙ্গভূমি-
সেখানে মৃত্যুর মুখে ঘোষিত হয় বিজয়ী প্রাণের জয়বার্তা।
তোমার নির্দয়তার ভিত্তিতে উঠেছে সভ্যতার জয় তোরণ
ত্রুটি ঘটলে তার পূর্ণ মূল্য শোধ হয় বিনাশে।।

তোমার ইতিহাসের আদিপর্বে দানবের ছিল দুর্জয়-
সে পুরুষ, সে বর্বর, সে মূঢ়।
তার অঙ্গুলি ছিল স্থূল, কলাকৌশল বর্জিত;
গদা-হাতে মুষল-হাতে লণ্ডভণ্ড করেছে সে সমুদ্র পর্বত;
অগ্নিতে বাষ্পেতে দু:স্বপ্ন ঘুলিয়ে তুলেছে আকাশে।
জড়রাজত্বে সে ছিল একাধিপতি,
প্রাণের ‘পরে ছিল তার অন্ধ ঈর্ষা।।

দেবতা এলেন পরযুগে, মন্ত্র পড়লেন দানব দমনের-
জড়ের ঔদ্ধত্য হল অভিভূত;
জীবধাত্রী বসলেন শ্যামল আস্তরণ পেতে।
ঊষা দাঁড়ালেন পূর্বাচলের শিখর চূড়ায়,
পশ্চিম সাগরতীরে সন্ধ্যা নামলেন মাথায় নিয়ে শান্তি ঘট।।

নম্র হল শিকলে-বাঁধা দানব,
তবু সেই আদিম বর্বর আঁকড়ে রইল তোমার ইতিহাস।
ব্যবস্থার মধ্যে সে হঠাৎ আনে বিশৃঙ্খলতা-
তোমার স্বভাবের কালো গর্ত থেকে
হঠাত্ বেরিয়ে আসে এঁকে বেঁকে!
তোমার নাড়ীতে লেগে আছে তোমার পাগলামি।
দেবতার মন্ত্র উঠেছে আকাশে বাতাসে অরণ্যে
দিনে রাত্রে উদাত্ত অনুদাত্ত মন্দ্র স্বরে।
তবু তোমার বরে পাতাল থেকে আধপোষা নাগ দানব
ণে ণে উঠেছে ফণা তুলে-
তার তাড়নায় তোমার আপন জীবকে করেছ আঘাত,
ছারখার করছ আপন সৃষ্টিকে।।



শুভে-অশুভে স্থাপিত তোমার পাদপীঠে
তোমার প্রচণ্ড সুন্দর মহিমার উদ্দেশে
আজ রেখে যাব আমার ক্ষতচিহ্ন লাঞ্ছিত জীবনের প্রণতি।
বিরাট প্রাণের, বিরাট মৃত্যুর, গুপ্ত সঞ্চার তোমার যে মাটির তলায়
তাকে আজ স্পর্শ করি- উপলব্ধি করি সর্ব দেহে মনে।
অগণিত যুগযুগান্তরের অসংখ্য মানুষের লুপ্ত দেহ পুঞ্জিত তার ধুলায়।
আমিও রেখে যাব কয়-মুষ্টি ধূলি, আমার সমস্ত সুখ দু:খের শেষ পরিণাম-
রেখে যাব এই নামগ্রাসী আকারগ্রাসী সকল-পরিচয়-গ্রাসী
নি:শব্দ ধূলিরাশির মধ্যে।।



অচল অবরোধে আবদ্ধ পৃথিবী, মেঘলোকে উধাও পৃথিবী,
গিরিশৃঙ্গমালার মহৎ মৌনে ধ্যান নিমগ্না পৃথিবী,
নীলাম্বু রাশির অতন্দ্র তরঙ্গে কলমন্দ্রমুখরা পৃথিবী,
অন্নপূর্ণা তুমি সুন্দরী, অন্নরিক্তা তুমি ভীষণা।
একদিকে আপক্বধান্যভারনম্র তোমার শস্যক্ষেত্রে-
সেখানে প্রসন্ন প্রভাতসূর্য প্রতিদিন মুছে নেয় শিশিরবিন্দু
কিরণ-উত্তরীয় বুলিয়ে দিয়ে;
অস্তগামী সূর্য শ্যামশস্যহিল্লোলে রেখে যায় অকথিত এই বাণী
”আমি আনন্দিত”।
অন্যদিকে তোমার জলহীন ফলহীন আতঙ্কপান্ডুর মরুক্ষেত্র
পরিকীর্ণ পশু কঙ্কালের মধ্যে মরীচিকার প্রেতনৃত্য।

বৈশাখে দেখেছি বিদ্যুৎ চঞ্চু বিদ্ধ দিগন্তকে ছিনিয়ে নিতে এল
কালো শ্যেন-পাখির মতো তোমার ঝড়-
সমস্ত আকাশটা ডেকে উঠল যেন কেশর-ফোলা সিংহ;
তার লেজের ঝাপটে ডালপালা আলুথালু করে
হতাশ বনস্পতি ধুলায় পড়ল উবুড় হয়ে;
হাওয়ার মুখে ছুটল ভাঙা কুঁড়ের চাল
শিকল-ছেঁড়া কয়েদি-ডাকাতের মতো।



আবার ফাল্গুনে দেখেছি তোমার আতপ্ত দক্ষিণ হাওয়া
ছড়িয়ে দিয়েছে বিরহ-মিলনের স্বগত-প্রলাপ আম্র-মুকুলের গন্ধে;
চাঁদের পেয়ালা ছাপিয়ে দিয়ে উপচিয়ে পড়েছে স্বর্গীয় মদের ফেনা;
বনের মর্মরধ্বনি বাতাসের স্পর্ধায় ধৈর্য হারিয়েছে
অকস্মাৎ কল্লোলোচ্ছ্বাসে।।



স্নিগ্ধ তুমি, হিংস্র তুমি, পুরাতনী তুমি নিত্য-নবীনা,
অনাদি সৃষ্টির যজ্ঞ-হুতাগ্নি থেকে বেরিয়ে এসেছিলে
সংখ্যা-গণনার-অতীত প্রত্যুষে;
তোমার চক্রতীর্থের পথে পথে ছড়িয়ে এসেছে
শত শত ভাঙা ইতিহাসের অর্ধ-লুপ্ত অবশেষ;
বিনা বেদনায় বিছিয়ে এসেছে তোমার বর্জিত সৃষ্টি
অগণ্য বিস্মৃতির স্তরে স্তরে।।

জীবপালিনী, আমাদের পুষেছ
তোমার খন্ডকালের ছোট ছোট পিঞ্জরে,
তারই মধ্যে সব খেলার সীমা, সব কীর্তির অবসান।।



আজ আমি কোন মোহ নিয়ে আসি নি তোমার সম্মুখে;
এতদিন যে দিনরাত্রির মালা গেঁথেছি বসে বসে
তার জন্য অমরতার দাবি করব না তোমার দ্বারে।
তোমার অযুত নিযুত বৎসর সূর্যপ্রদক্ষিণের পথে
যে বিপুল নিমেষগুলি উন্মীলিত নিমীলিত হতে থাকে
তারই এক ক্ষুদ্র অংশে কোন-একটি আসনের
সত্যমুল্য যদি দিয়ে থাকি,
জীবনের কোন-একটি ফলবান খণ্ডকে
যদি জয় করে থাকি পরম দু:খে
তবে দিয়ো তোমার মাটির ফোঁটার একটি তিলক আমার কপালে;
সে চিহ্ন যাবে মিলিয়ে
যে রাত্রে সকল চিহ্ন পরম অচিনের মধ্যে যায় মিশে।।



হে উদাসীন পৃথিবী,
আমাকে সম্পূর্ণ ভোলবার আগে
তোমার নির্মম পদপ্রান্তে
আজ রেখে যাই আমার প্রণতি।।

Wednesday, August 15, 2018

গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন।



কুষ্টিয়া গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদয়ায়, জাতীয় শোকদিবস জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। জাতীয় শোক দিবস পালনের অংশ হিসেবে দোয়া মাহফিল, বঙ্গবন্ধুর স্বরণে আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তিতা, কবিতা আবৃত্তি ও রচি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন টেক্সটাইল বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর হুসাইন-বিন-হাফিজ।


উপস্থিত বক্তিতায় অংশ গ্রহন করে টেক্সটাইল বিভাগের বদরুল সরদার , আব্দুস সামাদ সহ আরো অনেকে।বঙ্গবন্ধুর স্মরণে কবিতা আবৃত্তি করে মোছা: শান্তা খাতুন, বিপ্লব হোসেন,মাসুম বিল্লাহ সহ আরো অনেকে।বঙ্গবন্ধুর স্মরণে গান পরিবেশন করে রেজওয়ান ইসলাম, মোছা: শান্তা খাতুন সহ আরো অনেকে। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধ, ও দেশ পুন:গঠন বিষয়ে জুটি বিতর্কে অংশগ্রহন করে গুরুকুলের শিক্ষার্থী পলি, মিনহাজ, সিদ্ধার্থ শুভ রায়, মুক্তা বিশ্বাস, বিপ্লব হোসেন ও নাফসি বিশ্বাস বৃষ্টি।অনুষ্ঠানে গুরুকুলের শিক্ষার্থীরা সতস্ফুত ভাবে অংশগ্রহন করে ও অনুষ্ঠানের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন কম্পিউটার বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর সোনিয়া মাহমুদ।


উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলের ইনচার্জ একাডেমিক এম এ মাসুম, ইনচার্জ একাডেমিক মেডিকেল মিশকাতুর রহমান, ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম, টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান ফারাজী হাবিবুর রহমান , আর এস ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন কাদের , সিভিল ট্রেড প্রধান সিরাজুম মনিরা, কম্পিউটার ট্রেড প্রধান রাকিবুল ইসলাম, মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ,ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান সাকিব হাসান ও গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনের সকল শিক্ষক,শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারি ।