Monday, April 27, 2020

ঈশ্বর এমন এক সত্তা

ঈশ্বর এমন এক সত্তা,যা মানুষের মধ্যে কখনো কখনো স্বর্গ অনুভূতির সৃষ্টি করে।যে অনুভূতির ভেলায় আমি ভেসে চলেছি দিগন্ত হারা পথের দিশায়।

Sunday, April 26, 2020

ধর্ষণের কারণ

আমার প্রিয় জন্মভূমিতে তুলনা মূলক গত ২০ বছরের চেয়ে ধর্ষণের পরিমান এখন অনেক বেশি। কারনটা কি খুজেছেন কি? অধিকাংশ মানুই খুজেছেন বা মনে মনে একটা ধারনা করেছেন।

ধর্ষণের কারন হিসাবে সবচেয়ে যে বিষয়টিকে আপনারা দায়ী করেন সেটি হল নারীর পোশাক। গত ২০১৮ ইং সালে ৮ সেপ্টেম্বর আমার ফেসবুকে একটা স্টাটাস দিয়েছিলাম "নারীর পোশাক আর শরীরের দিকে লক্ষ না করে নিজের ন্যাংটো মস্তিকের দিকে লক্ষ কর।"

এই স্টাটাস দেওয়ায় সেই রকম সমালোচনায় পড়েছিলাম। তাতে আমার কোন কিছু যায়-আসেনা। এবার জেনে নেই ধর্ষণ কি?

'ধর্ষণ' এক ধরনের যৌন আক্রমণ। সাধারণত, একজন ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিরেকে তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম বা অন্য কোনো ধরনের যৌন অনুপ্রবেশ ঘটানোকে ধর্ষণ বলা হয়। ধর্ষণ শারীরিক বলপ্রয়োগ, অন্যভাবে চাপ প্রদান কিংবা কর্তৃত্বের অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত হতে পারে। অনুমতি প্রদানে অক্ষম (যেমন- কোনো অজ্ঞান, বিকলাঙ্গ, মানসিক প্রতিবন্ধী কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি) এরকম কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়াও ধর্ষণের আওতাভুক্ত।

কিভাবে ধর্ষণের সাথে পোশাক সম্পর্কিত তা আমার বোধগম্য না। কারন প্রগতিশীল হলো তা, যা মানুষকে স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার দেয়।আমি নিজে একজন স্বাধীন মানুষ তাই অপারের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ একদমই করতে চাই না,করিও না।

নারীতো মায়ের জাতি তাদের বিষয়ে একদমই না। নারীর পোশাককে যখন ধর্ষণের কারন বলে দায়ী করেন তখন ভাবলে মনে হয় আমি সত্যি এখনো "আইয়ামে জাহেলিয়াত" এর যুগে বসবাস করছি। ৮ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৪০ উর্ধ নারীরা ধর্ষকদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা।
রাস্তায়,মলে,রেস্টুরেন্টে নারীর পোশাকের প্রতি লক্ষ করে যদি কোন পুরুষের যৌন উত্তেজিত হয় তবে সে পশু ছাড়া আর কিবা হতে পারে !

অপরদিকে ৮ বছরের শিশু তো এখনো যৌবনে পা রাখেনি এমনকি সে যদি উলংগো হয়ে রাস্তায় বের হলে তাকে মা-মনি ছাড়া আর কিছু ভাবা যায়না। তাহলে এই মা-মনি কেন ধর্ষণের শিকার হবে ! আজ যারা পর্দার জন্য কালো বোরকা নিয়ে লাফালাফি করেন তাদের উদ্দেশে বলি প্রকৃত ইতিহাসটা জানুন পড়ুন তবেই বুঝবেন।

"আইয়ামে জাহেলিয়াত" যুগে একজন পুরুষের বহু স্ত্রী আর কৃতদাসী থাকতো। পুরুষরা কৃতদাসীদের কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতো, আরব দেশে তাপমাত্রা বেশি থাকায় কালো কাপড় তাদের জন্য যন্ত্রনাদয়ক ছিল। কারন কালো কাপড় তাপ শোষণ করে সবচেয়ে বেশি।

দুঃখ হয় তালকানা মুসলমানরা যখন আল্লাহ ও আমার প্রিয় রাসুলের অমিয় বাণীকে সঠিক ভাবে না বুঝে শুধু বাংলা ওয়াজ এর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস রেখে ধর্মন্ধ হয়েছে বা হচ্ছে।
ইউটিউব এ শত শত বাংলা ওয়াজ আছে যারা মত-পার্থক্য নিয়ে মারামারিও করছেন। তফসিরের বিপরীতে এক হুজুর আর এক হুজুরের সমালোচনা নিয়ে ব্যাস্ত এমন ভিডিও আছে হাজার হাজার।এই সকল বাংলা ওয়াজ বা কালো বোরকা ধর্ষকদের হাত থেকে নারীকে হেপা-জত করতে পারবেনা।

হেপা-জত করতে পারে প্রগতিশীল চিন্তা, স্বাধীনতা, সুষ্ঠ সংস্কৃতি যা মানুষকে ভাবতে শেখায় নারীরাও মানুষ, নারীরাও মা,নারীরাও স্ত্রী, নারীরাও বোন।বিশ্বাস করুন আমার এই লেখা নারীর ছোট পোশাক বা তথাকথিত পর্দানশিন পোশাকের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়।এই লেখার একমাত্র লক্ষ মানুষের মনুষ্যত্বকে জাগিয়ে তোলা নারীকে মা, বোন, স্ত্রী ও মানুষ ভাবতে শেখা।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে আমি ঘর থেকে বলছি।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে সচেতন হই,সচেতন করি।

এখন যিনি তরুণ, তার উপযুক্ত সময় ঘরে অবস্থান করার।
এখন যিনি তরুণ, তার উপযুক্ত কাজ পরিবারের অন্য সদস্যকে ঘর থেকে বের হতে না দেওয়া।
এখন যিনি তরুণ, তার উপযুক্ত সময় অন্যকে সচেতন করার।
এখন যিনি তরুণ, তার উপযুক্ত সময় পরিবারের সকল সদস্যকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপারে বুঝিয়ে বলার।

আমরা যারা ফেসবুক,ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি সোস্যালমিডিয়া ব্যবহার করি তারা অধিকাংশ ব্যাক্তি মোটামুটি সচেতন বলে আশা করি। আমার বিশ্বাস আমাদের এই তরুণ প্রজন্ম সময়ের দাবিতে তাদের নিজ নিজ পরিবারকে সচেতন করে করোনা সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে।

একটা বিষয় ভাল লাগছে করোনা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা,তামাশা কমে গিয়েছে। ফেসবুকে সচেতনতা মূলক পোস্ট দিচ্ছে।
আমদের সতর্কতা, সাবধানতা, আল্লাহর মেহেরবানীই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

মাসলার ছড়াছড়ি

তিরমিজী শরিফের মধ্যে আমার প্রিয় রাসুল (সা:) বলছেন, মজলিসে বসার আবদ বা নিয়ম সম্পর্কে বলেছেন, যিনি আগে যাবেন তিনি আগে বসবেন, যিনি পরে যাবেন তিনি পিছনে বসবেন, যেখানে ফাকা জায়গা পাবেন সেখানেই বসবেন।

আমার প্রিয় রাসুল (সা:) প্রায় সেই ১৪০০ বছর আগে পাবলিক সব বিষয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা কিভাবে ঠিক রাখতে হবে তার সর্ম্পকে সুস্পট বর্ণনা দিয়ে গেছেন।

আজকের সমাজে লক্ষ করলে দেখবেন এর ব্যতক্রিমই হচ্ছে, তা সেই রেল স্টেশন থেকে শুরু করে ইসলামিক মজলিস বা আলোচনা পর্যন্ত, এমন কি মসজিদেও। আমি বহুবার দেখেছি লম্বা পান্জাবী পাজামা টুপি পরে সাধারণ মানুষকে ডিঙ্গিয়ে আগে গিয়ে বসতে। এই বিষয় গুলো দেখে যখন নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি তখন তারা এর ব্যাখ্যাও দিয়ে থাকে।

আজকে আমার সাথে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করি, আমি অফিস কোয়াটারের ৩ তালায় থাকি সেখান অজু-গোসল করার জন্য ২ টি বাথরুম আছে। ইফতারের পূর্ব মূহুর্তে আমি অজু করতে গিয়েছি, অজুও শুরু করেছি এমন সময় পাশের বাথরুম থেকে এক ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে ট্যাপে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে বলছে,আমার অজু শেষ শুধু পাটা ধুতে বাকি আছে,পাটা ধুয়ে নেই। আমি বললাম ভাই আমিও তো অজুই করছি, আপনি পুরো অজু করবেন আমি শুধু পাটা ধুবো, পাটা ধুতেই বাকি আছে।

আমি নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম আর সে পা ধুয়ে নিলো, এখন ধর্মের ব্যাখ্যা শুরু করলো অজুর পানি মগে জমে আছে অজুর পানি গায়ে-পায়ে লাগাটা হারাম,বুঝেছেন? বললাম ভাই আমি একটু কম বুঝি।

পরবর্তিতে রুমে এসে এক সাহেবের কুরবানির গরু কেনার গল্পটি মনে পড়ে গেলো।গল্পটি ছিল এমন-সাহেব ঘুষের টাকা পকেটে নিয়ে গিয়ে হালাল গরু খুজছেন তো খুজছেন কিন্তু তার দৃষ্টিতে হালাল গরু খুজেই পাচ্ছনে না।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আমার ব্যাক্তিগত মত প্রকাশ করছি


বাংলাদেশের প্রতিটি মসজিদ ও মন্দির থেকে করোনা সচেতনতা জন্য কাজ করা যেতে পারে। মসজিদ ও মন্দিরের দায়িত্বে যে সকল ইমাম মুয়াজ্জিন, সাধু, গোশাঁই আছেন, তাদের নিজেদেরকে করোনা বা কোভিট-১৯ সম্পর্কে ইউনিয়ন কাউন্সিলে এই সংক্রমণের বাস্তব ভয়াবহতা (ভিডিও, নিউজ, করোনা আপডেটের সর্বশেষ পরিসংখ্যান)তুলে ধরতে হবে।


এই রোগের লক্ষ্মণ, করোনিয়ো, সমাজিক দূরত্ব সচেতনতা ইত্যাদি বিষয়ে অবগত করতে হবে, যেন তারা মসজিদ ও মন্দির থেকে মাইকিং এর মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করতে পারে।

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি,এখন সময়ের দাবি প্রত্যেক মসজিদের মাইকে দিনে যে ৫ বার আজান দেওয়া হয়।তার আগে বা পরে করোনা বা কোভিট-১৯ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা যেতে পারে।
বাংলাদেশের কিছু কিছু মন্দিরে মাইক আছে,তবে তার সংখ্যাটা খুবই কম, আর যে মন্দির গুলোতে নেই সেগুলোতে সরকারি বা মন্দির কতৃপক্ষের মাধ্যমে মাইক ব্যাবস্থা করে দিনে ৫ বার করোনা বা কোভিট-১৯ বিষয়ে সাধারণ মানুষে সচেতন করা যেতে পারে।

ঘোষণা বা এলানটি এমন হতে পারে,
সারাবিশ্বের করোনা ভাইরাসের মহামারি নিয়ে জরুরী ঘোষণা।

১.পৃথিবীর সকল দেশে প্রায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে এবং এর ব্যাপক ভয়াবহতা দেখা দিয়েছে।আজকের নতুন শনাক্ত, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর সংখ্যা, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের রির্পোট।

২.আমাদের বাংলাদেশও এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে,জেলায় জেলায় এমনকি কিছু কিছু মহল্লায় মহল্লায়ও ছড়িয়ে পড়েছে কিন্তু আমরা যদি সর্তক না হই তবে এই পরিস্থিতিন আরো মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।এই কারণে আমাদের সর্বচ্চো সর্তক থাকতে হবে।

যে সকল সর্তকতা অবলম্বন করতে হবেঃ

১.জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবেনা।

২.জরুরী প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে মাক্স ও হ্যান্ড গিলাপ্স পরে নিন।

৩.জনসমাগম এড়িয়ে চলতো হবে।কম পক্ষে একে অন্যের থেকে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৪.সাবান পানি দিয়ে ঘনঘন হাত ধুতে হবে।সম্ভব হলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে যেখানে হাতের স্পর্শ লাগে সেখানে পরিস্কার করুন।

৫.বাড়িতে নামাজ পড়ুন /পুজার্চনা করুন।

৬.সম্ভব হলে পরিবারের বয়স্কদের আলাদা করে বিশেষ যত্ন নিন,তাদেরকে সর্তক করুন।

৭.সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ গুলো হলোঃ
১.জ্বর
২.কাসি
৩.শাশ প্রশাশে কষ্ট হওয়া
৪.সর্দি
৫.গায়ে ও বুকে ব্যাথা

এই লক্ষ্মণ গুলো আপনার বা আপনার পরিবারে কারো দেখা দিলে আপনার নিকটবর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করে নমুনা পরীক্ষা করুন।
সবাই সাবধানে থাকুন, যার যার ধর্ম পালন করুন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। 

Friday, April 24, 2020

নিদির্ষ্ট সময়ের পরে কাজ শেষ করতে না পারাটা অযোগ্যতা

গতকাল সন্ধ্যায় ডাইনিং এ বসে আলোচনা চলছিলো অফিস টাইম শেষ হওয়ার পরও বসরা কেন অতিরিক্ত সময় কাজ করতে বলে?

আমি সহজেই এক বাক্যে বলবো এটা বসের অপারগতা, অযোগ্যতা ছাড়া আর কিছু নয়।এখেনে ইমার্জেন্সির বিষয়টা কিন্তু ভিন্ন, তাই বলে প্রতিদিন একই ধারা চললে অযোগ্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়।আপনার বস বা একই পদের সহকর্মী যদি অতিরিক্ত সময় অফিস করাতে বা করতে চায় তবে সে নিদির্ষ্ট সময়ের মধ্যে তার কাজ শেষ করতে পারেনা।এটা নিয়ে সেই সকল বস, সহকর্মীরা আল্লাদে আটখানা হয়ে বলে আমি অফিসের জন্য এই করি,সেই করি নিজের প্রশংসার ফুলঝুরি ইত্যাদি ইত্যাদি-----

বিশ্বাস করুন প্রকৃত পক্ষে ঐ বস, ঐ সহকর্মী অফিসের ক্ষতি করছে, তারা এটাও উপলব্ধি করতে পারে, তাই খুব সাবধানে নিজের ঢোল নিজেই পিটায়, তা অন্য কারো হাতে গেলে যে কোন সময় ফেটে যেতে পারে।

আপনি অফিসে ভাল করতে চাইলে নিদির্ষ্ট সময়ের মধ্যে নিজের কাজ শেষ করুন, মন দিয়ে নিষ্ঠার সাথে কাজটি করুন, সৎ থাকুন, নিজের কাজকে নিজের ধর্ম  মনে করুন।

 তাহলে বসের সামনে আপনাকে ভাল হতে হবেনা, বস এমনিতেই আপনাকে ভাল ভাববেন, যোগ্য  মনে করবেন,  যদি এর ব্যতিক্রম হয় তাহলে আপনার কর্মদক্ষতা দেখে বস হিংসা করছে,ভয়ে আছে কখন জানি আমার চেয়ারটা  নিয়ে নেই।

Tuesday, February 4, 2020

এই মূহুর্তে আমি টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড় স্লিকসিটি ট্রেন থেকে বলছি "নায়ুজুবিল্লাহ"!

খুব কষ্ট হয়, দুঃখ হয় যখন দেখি একটি ইন্টারসিটি ট্রেনের একটি বগিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী টিকিট না কেটে উঠেছেন।

যারা বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ করছেন তাদের মধ্যে দু-এক জন বাদে সবাই শিক্ষিত ব্যক্তি। এদের মধ্যে কারও বয়স ষাটোর্ধ পাকাদাড়ি মাথায় টুপি, সাত আট জনের মত আছেন দুধের মত ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা মাথায় টুপি মুখে কাল কুচকুচে সুন্দর দাড়ি।কেও কেও আছেন সুট টাই পরা নামধারী তথাকথিত ভদ্রলোক। টিটি মামা যখন এসে ধরেছেন তখন তারা অধিকাংশ ব্যক্তি ট্রেনের নির্ধারিত ভাড়া না দিয়ে টিটি মামার তল পকেট ভারি করার জন্য কিছু টাকা কম দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কেও কেও মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন (আমি টিকিট পাইনি, ট্রেন ছেড়ে দিচ্ছিলো ইত্যাদি ইত্যাদি........)।

যাইহোক এদেরই মধ্যে দুজন ভদ্রলোকের সাথে আমার কথা হচ্ছিল বর্তমান ট্রেনের সেবা নিয়ে, ট্রেনের ই-টিকেট নিয়ে সাথে ছিল আরও কিছু বিষয়। এর মধ্যে ভদ্রলোক দ্বয় ঝোপ বুঝে কোপ মেরে দিলেন-বাংলাদেশে কোনদিন ট্রেনের উন্নতি হবেনা, সব সালারাই লুটপাট করে খাচ্ছে গাড়ি-বাড়ি করছে ইত্যাদি ইত্যাদি........

হে আপনার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলুনতো শিক্ষিত মানুষের পোশাক পরে, দুধের মত ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা মাথায় টুপি পরেও যদি বিনা টিকিটে ট্রেনে উটি পক্ষান্তরে আমাদেরই এই চাঁদ মুখে দুর্নীতি বা লুটপাটের কথা কেমন করে বলি?????